
এনসিপির মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া অভিযোগ করেছেন, সম্প্রতি একটি দলের চেয়ারপারসনের দেশে আগমন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত হিসেবে ধরা যেতে পারে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমরা দেখেছি বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা এবং গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা একটি রাজনৈতিক দলের অফিসের দিকে নিয়মিত যাচ্ছেন। বাংলাদেশে প্রশাসনের ঝোঁক সাধারণত ক্ষমতাসীনদের প্রতি থাকে। কিন্তু ক্ষমতাসীন হওয়ার আগেই, জনসমক্ষে প্রকাশিত হওয়ার আগেই এ ধরনের আচরণ আমরা কখনো মেনে নেব না।”
তিনি আরও বলেন, “সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, যারা সেখানে গিয়েছেন তারা স্পষ্টভাবে সরকারি চাকরির বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন। এ ধরনের ধৃষ্টতা বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের উৎসাহেও প্রভাব ফেলছে।”
আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন, সিলেট-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র পরবর্তীতে দাখিল করার পরও বাতিল হয়েছে, অথচ একই পরিস্থিতির মধ্যে বিএনপির প্রার্থীর কাগজপত্র পরবর্তীতে দাখিলের শর্তে বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে।
প্রশাসনের এমন আচরণের কারণে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনেও অতীতের মতো পক্ষপাতিত্ব এবং একতরফা সিদ্ধান্তের শঙ্কা সৃষ্টি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, “কমিশনকে আমরা আহ্বান জানাবো, এই ধরনের ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নিন। সামনের শুনানি, যা সরাসরি নির্বাচন কমিশনের অধীনে হবে, তাতে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব যেন আর না থাকে। পক্ষপাতিত্ব হলে নির্বাচন কমিশনের সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।”