
ফরিদপুর, সুনামগঞ্জ ও কক্সবাজারে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ ঘটনায় কক্সবাজারে একজন নারীকে আটক করা হয়েছে। অভিযানগুলো মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত পরিচালিত হয়।
কক্সবাজার:
রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের থোয়াইঙ্গাকাটা ঘোনার পাড়া এলাকায় মঙ্গলবার গভীর রাতে যৌথ অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আয়েশা বেগম রিয়া (২৫) নামের এক নারীকে আটক করা হয়। তিনি স্থানীয় নুরুল আহম্মদের কন্যা। অভিযানে ডাকাতরা পালিয়ে গেলেও তার উপস্থিতি ধরা পড়ে।
উদ্ধারকৃত সামগ্রীতে রয়েছে:
২টি বিদেশি পিস্তল
১টি বিদেশি পিস্তলের আদলে তৈরি ডামি পিস্তল
২টি একনালা বন্দুক
৪৯টি পিস্তলের গুলি
৬টি রাইফেলের গুলি
৩টি কার্তুজ
১টি কার্টার
২টি ধারালো অস্ত্র (ক্রিচ)
২টি বাটন ফোন
১টি ফেলে রাখা মোটরসাইকেল
রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিয়া জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত অস্ত্রশস্ত্র কুখ্যাত ডাকাত নুরুল আবছার প্রকাশ ল্যাং আবছার ও ডাকাত রহিম ব্যবহার করতেন। রিয়া দীর্ঘদিন ধরে এ ডাকাত দলের অপকর্মে সহযোগিতা করে আসছিলেন।
সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের নিয়ামতপুর ব্রিজের নিচে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করেছে। তবে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
সদর মডেল থানার ওসি মো. রতন শেখ জানান, উদ্ধারকৃত আলামত আইনি প্রক্রিয়ার জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ফরিদপুর:
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে একটি রিভলবার, একটি তাজা গুলি, একটি ম্যাগাজিন এবং চারটি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। এটি ঘটে উপজেলা সদরের পুরোনো সাবরেজিস্ট্রার অফিসের ভিতরে, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে।
সদরপুর থানার ওসি আব্দুল আল মামুন শাহ বলেন, “ঘটনার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও বোমা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।”