
চট্টগ্রামের রাউজানে পুলিশের তদন্ত কেন্দ্রের কাছেই সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ গেল এক যুবদল নেতার, যা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
নিহত ব্যক্তি মুহাম্মদ জানে আলম। তিনি পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং বর্তমানে রাউজান উপজেলা যুবদলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সোমবার ৫ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাউজান উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলিমিয়াহাট এলাকার সিকদার পাড়া গ্রামে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
মুহাম্মদ জানে আলমের বয়স ছিল ৪৮ বছর। তিনি সিকদার বাড়ি এলাকার মৃত হামদু মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিন যুবক একটি মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থলে আসে। তাদের মুখে ছিল মুখোশ। জানে আলমের বাড়ির সামনে পৌঁছে কোনো কথা না বলেই তারা তাকে লক্ষ্য করে একের পর এক গুলি ছোড়ে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মোটরসাইকেল ঘুরিয়ে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন জানে আলম। আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ আহমদ বলেন, "জানে আলম আমাদেরই বাড়ির মানুষ। বাজার থেকে ঘরে ফেরার পথে তাকে খুব কাছে থেকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। কেন তাকে হত্যা করা হলো এ নিয়ে আমরা হতবাক।"
পূর্ব গুজরা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক দিপ্তেষ দাশ বলেন, "আমরা ঘটনাস্থলে কাজ করছি। মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।"