
ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে হ্যারি কেইন ও কিলিয়ান এমবাপ্পের মধ্যে ব্যবধান গড়েছে মাত্র ২৮ পয়েন্ট। ২০২৬ সালের পুরস্কারের ভোটের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশের পর দেখা গেছে, ১ হাজার ৫৫ পয়েন্ট পেয়ে সেরা হয়েছেন ইংল্যান্ড ও বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার কেইন। ১ হাজার ২৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ফ্রান্স ও রিয়াল মাদ্রিদের তারকা এমবাপ্পে। খবর টিওয়াইসি স্পোর্টসের।
লন্ডনে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে কেইনের হাতে ওঠে এবারের ব্যালন ডি’অর। ৮৮১ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় হয়েছেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ তরুণ লামিনে ইয়ামাল।
এবারের ভোটে আর্জেন্টিনার দুই তারকা লিওনেল মেসি ও লাউতারো মার্তিনেজের অবস্থানও ছিল আলোচনায়। ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলা মেসি ৬১২ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থান অর্জন করেছেন। তাঁর আগে রয়েছেন কেইন, এমবাপ্পে, ইয়ামাল ও রদ্রি।
অন্যদিকে ইন্টার মিলানের আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার লাউতারো মার্তিনেজ পেয়েছেন ১১ পয়েন্ট। ১০০ জন সাংবাদিকের ভোটে তাঁর অবস্থান হয়েছে ২২তম।
যেভাবে নির্ধারিত হয়েছে পয়েন্ট
প্রতিটি দেশ থেকে একজন করে মোট ১০০ জন বিশেষজ্ঞ সাংবাদিক এবারের ব্যালন ডি’অরের ভোটে অংশ নেন। ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স বিবেচনায় নিয়ে তাঁরা সেরা ১০ জনকে বেছে নেন।
ভোটে প্রথম স্থান পাওয়া খেলোয়াড়কে দেওয়া হয়েছে ১৫ পয়েন্ট। দ্বিতীয় স্থানের জন্য ১২, তৃতীয় স্থানে ১০, চতুর্থ স্থানে ৮, পঞ্চম স্থানে ৭, ষষ্ঠ স্থানে ৫, সপ্তম স্থানে ৪, অষ্টম স্থানে ৩, নবম স্থানে ২ এবং দশম স্থানে ১ পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছিল।
কেইন পেয়েছেন সর্বোচ্চ ৪০টি প্রথম স্থানের ভোট। এমবাপ্পের ঝুলিতে ছিল ২৩টি। প্রথম স্থানের ভোটের এই পার্থক্যই শেষ পর্যন্ত দুজনের মধ্যে ব্যবধান গড়ে দিয়েছে।
২০২৬ ব্যালন ডি’অরের চূড়ান্ত ভোটের তালিকা
১. হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড, বায়ার্ন মিউনিখ) — ১,০৫৫ পয়েন্ট
২. কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স, রিয়াল মাদ্রিদ) — ১,০২৭ পয়েন্ট
৩. লামিনে ইয়ামাল (স্পেন, বার্সেলোনা) — ৮৮১ পয়েন্ট
৪. রদ্রি (স্পেন, ম্যানচেস্টার সিটি) — ৭২৬ পয়েন্ট
৫. লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা, ইন্টার মায়ামি) — ৬১২ পয়েন্ট
৬. খভিচা কাভারাসখেলিয়া (জর্জিয়া, পিএসজি) — ৫৪১ পয়েন্ট
৭. উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স, পিএসজি) — ৪১৮ পয়েন্ট
৮. আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে, ম্যানচেস্টার সিটি) — ৩৭৮ পয়েন্ট
৯. মাইকেল অলিসে (ফ্রান্স, বায়ার্ন মিউনিখ) — ২৯৬ পয়েন্ট
১০. ফাবিয়ান রুইজ (স্পেন, পিএসজি) — ২০১ পয়েন্ট
১১. জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড, রিয়াল মাদ্রিদ) — ১০৭ পয়েন্ট
১২. পাউ কুবারসি (স্পেন, বার্সেলোনা) — ১০১ পয়েন্ট
১৩. আশরাফ হাকিমি (মরক্কো, পিএসজি) — ৬৫ পয়েন্ট
১৪. ভিতিনিয়া (পর্তুগাল, পিএসজি) — ৫৯ পয়েন্ট
১৫. ডেকলান রাইস (ইংল্যান্ড, আর্সেনাল) — ৫৭ পয়েন্ট
১৬. ফেরান তোরেস (স্পেন, বার্সেলোনা) — ৪৪ পয়েন্ট
১৭. ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (ব্রাজিল, রিয়াল মাদ্রিদ) — ২৬ পয়েন্ট
১৮. মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন) — ১৬ পয়েন্ট
১৯. জোয়াও নেভেস (পর্তুগাল, পিএসজি) — ১৫ পয়েন্ট
২০. উইলিয়ান পাচো (ইকুয়েডর, পিএসজি) — ১২ পয়েন্ট
২১. গ্যাব্রিয়েল (ব্রাজিল, আর্সেনাল) — ১১ পয়েন্ট
২২. লাউতারো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা, ইন্টার মিলান) — ১১ পয়েন্ট
২৩. নুনো মেন্দেস (পর্তুগাল, পিএসজি) — ৮ পয়েন্ট
২৪. লুইস দিয়াজ (কলম্বিয়া, বায়ার্ন মিউনিখ) — ৮ পয়েন্ট
২৫. মার্কিনিওস (ব্রাজিল, পিএসজি) — ৭ পয়েন্ট
২৬. দায়ো উপামেকানো (ফ্রান্স, বায়ার্ন মিউনিখ) — ৫ পয়েন্ট
২৭. ব্রুনো ফার্নান্দেজ (পর্তুগাল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড) — ৫ পয়েন্ট
২৮. হুলিয়ান কুইনোনেস (মেক্সিকো, আল-কাদসিয়া) — ৪ পয়েন্ট
২৯ ও ৩০. সাদিও মানে (সেনেগাল, আল-নাসর) ও উইলিয়াম সালিবা (ফ্রান্স, আর্সেনাল) — ২ পয়েন্ট করে।