
আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত রাজপথের লড়াইয়ে থাকা বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন এবার তীব্র আক্রমণাত্মক ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হানজালাকে। গণঅভ্যুত্থানের পর ভোল্টেজ বদলানো তথাকথিত বিপ্লবীদের কঠোর সমালোচনা করে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনো ধরনের আগ্রাসী আচরণ সহ্য করা হবে না।
আজ সোমবার (২২ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
'হাসিনার জিকির' বনাম জেল খাটার ইতিহাস
নিজের রাজনৈতিক ত্যাগ ও লড়াইয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাশেদ খাঁন তার পোস্টে লেখেন: "এরা যেসময় হাসিনার জিকির করতো, আমরা সেসময় বলেছি, এটা কি তার বাপের রাষ্ট্র? এরপর শেখ হাসিনাকে কটুক্তির দায়ে জেল খেটেছি। অথচ এরা এখন আইছে, বিএনপির কর্মীকে খেয়ে ফেলতে। এসব মানুষ খেকো হানজালারা হায়েনা হয়ে উঠতে চাইলে, হায়েনাকে থামানোর ঔষধও আমরা জানি।"
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সোফায় বসা 'বিড়াল' এখন 'রয়েল বেঙ্গল টাইগার'
সদ্য সমাপ্ত গণঅভ্যুত্থানে কিছু মহলের দ্বিমুখী ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন আরও লেখেন: "আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের সাথে মিলেমিশে থাকা হানজালা এখন বাঘের সাথে চিড়িয়াখানায় থাকতে চায়! হ্যাঁ, গণঅভ্যুত্থানের সময় যারা ফ্যাসিস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করে বলে এসেছিলো, আমরা কিন্তু আন্দোলনে নাই! তারা আবার নাকি এখন বাঘের সাথে থাকতে চায়! বিশাল বিপ্লবী রয়েল বেঙ্গল টাইগার! অথচ এই বিপ্লবীর হুংকার তো ৫ আগস্টের আগে কখনো শুনি নাই! তখন বিড়াল হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সোফায় গিয়ে বসে থাকতো!"
'উড়ে আসা বসন্তের কোকিলদের' কলিজা ছিঁড়ে খাওয়ার হুঁশিয়ারি
আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলতে আসা নব্য বিপ্লবীদের উদ্দেশ্য করে বিএনপি এই নেতা লেখেন: "এখন বেশি বেশি মেকি হুংকার দিলে ফ্যাসিস্টদের সাথে বিচরণের অপরাধে প্রকৃত বাঘ কিন্তু এদের কলিজাও ছিড়ে খেতে দ্বিধা করবেনা। আমরা গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে উড়ে আসা বসন্তের কোকিল নয়। দুই দিনের বৈরাগী এসব হানজালারা যেসময় fascist স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর বাসায় হাজিরা দিতো, আমরা সেসময় কোর্টে"