
এবারের ঈদযাত্রায় ভাড়া চড়ার খবর সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করেছে, তবে সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব মনে করছেন, যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন অতিরিক্ত আতঙ্ক সৃষ্টিকারী। সমিতি বলেছিল, ঈদে বাস ও মিনিবাসে অতিরিক্ত ভাড়া সংগ্রহের ফলে যাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত আদায় হতে পারে, যা গত ২০ বছরের সর্বোচ্চ ভাড়া নীতি লঙ্ঘনকে নির্দেশ করে।
তবে প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্য, “এখন পর্যন্ত ভাড়া-সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’’ তিনি বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই তথ্য জানান। ওই সময় স্টেশনে উপস্থিত যাত্রীদের সঙ্গে কথোপকথন করেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, “বর্তমানে দুটি ট্রেন ছাড়া বাকি ট্রেনগুলোর চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঈদযাত্রার সামগ্রিক অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ঈদের পর পুরো ব্যবস্থার মূল্যায়ন করা হবে।’’
যাত্রী কল্যাণ সমিতির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে দূরপাল্লার বাস ও মিনিবাসে এবারের ঈদে প্রায় ৪০ লাখ ট্রিপ সম্পন্ন হতে পারে, পাশাপাশি সিটি সার্ভিসে আরও প্রায় ৬০ লাখ ট্রিপ যাত্রী চলাচল করবে। সমিতি জানিয়েছে, ১৪ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত মাঠ পর্যায়ের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা গেছে, ৮৭ শতাংশ বাস ও মিনিবাসে সরকারি চার্টের নিয়ম ভেঙে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।