
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ পর্বকে আরও বিশেষ করে তুলতে সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনালের জন্য নতুন অফিসিয়াল ম্যাচ বল উন্মোচন করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা ও বিশ্বখ্যাত ক্রীড়াসামগ্রী নির্মাতা অ্যাডিডাস। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ধারাবাহিকতায় এবারও নকআউট পর্বের শেষ চারটি ম্যাচে ব্যবহার করা হবে বিশেষ সংস্করণের বল ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’।
নতুন এই বলের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর দৃষ্টিনন্দন নকশা। কালো রঙের ভিত্তির ওপর সোনালি রঙের আধিক্য বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতীকী ভাবনা তুলে ধরেছে। পাশাপাশি লাল ও গোলাপি রঙের সংমিশ্রণ বলটিকে দিয়েছে আলাদা সৌন্দর্য। যদিও এর প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি, নকশা ও রঙেই এসেছে নতুনত্ব।
বলটির প্যানেলে বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচের আয়োজক শহর—ডালাস, আটলান্টা, মিয়ামি এবং নিউইয়র্ক/নিউ জার্সির নাম উল্লেখ থাকবে। এছাড়া টুর্নামেন্টের অন্যান্য আয়োজক শহরের নাম ত্রিভুজাকৃতির গ্রাফিক্সের মাধ্যমে বলের গায়ে তুলে ধরা হবে।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে বলটিতে আগের মতোই রাখা হয়েছে ‘কানেক্টেড বল টেকনোলজি’। বলের ভেতরে স্থাপিত বিশেষ সেন্সর চিপ তাৎক্ষণিকভাবে ম্যাচ-সংক্রান্ত তথ্য রেফারি ও ভিএআর কক্ষে পাঠাবে। এর ফলে সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি আরও নির্ভুলভাবে অফসাইড সিদ্ধান্ত এবং বলে স্পর্শের মুহূর্ত শনাক্ত করতে পারবে।
বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে নতুন বল ব্যবহারের রীতি নতুন নয়। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকেই নতুন বল চালু করা হয়েছিল। তবে ২০১৮ রাশিয়া, ২০১৪ ব্রাজিল, ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপে কেবল ফাইনাল ম্যাচের জন্য আলাদা বল ব্যবহার করা হয়। আর ২০০২ সালের আগে টুর্নামেন্ট চলাকালে মাঝপথে বল পরিবর্তনের কোনো নজির ছিল না।
নতুন এই বলের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর দৃষ্টিনন্দন নকশা। কালো রঙের ভিত্তির ওপর সোনালি রঙের আধিক্য বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতীকী ভাবনা তুলে ধরেছে। পাশাপাশি লাল ও গোলাপি রঙের সংমিশ্রণ বলটিকে দিয়েছে আলাদা সৌন্দর্য। যদিও এর প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি, নকশা ও রঙেই এসেছে নতুনত্ব।
বলটির প্যানেলে বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচের আয়োজক শহর—ডালাস, আটলান্টা, মিয়ামি এবং নিউইয়র্ক/নিউ জার্সির নাম উল্লেখ থাকবে। এছাড়া টুর্নামেন্টের অন্যান্য আয়োজক শহরের নাম ত্রিভুজাকৃতির গ্রাফিক্সের মাধ্যমে বলের গায়ে তুলে ধরা হবে।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে বলটিতে আগের মতোই রাখা হয়েছে ‘কানেক্টেড বল টেকনোলজি’। বলের ভেতরে স্থাপিত বিশেষ সেন্সর চিপ তাৎক্ষণিকভাবে ম্যাচ-সংক্রান্ত তথ্য রেফারি ও ভিএআর কক্ষে পাঠাবে। এর ফলে সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি আরও নির্ভুলভাবে অফসাইড সিদ্ধান্ত এবং বলে স্পর্শের মুহূর্ত শনাক্ত করতে পারবে।
বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে নতুন বল ব্যবহারের রীতি নতুন নয়। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকেই নতুন বল চালু করা হয়েছিল। তবে ২০১৮ রাশিয়া, ২০১৪ ব্রাজিল, ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপে কেবল ফাইনাল ম্যাচের জন্য আলাদা বল ব্যবহার করা হয়। আর ২০০২ সালের আগে টুর্নামেন্ট চলাকালে মাঝপথে বল পরিবর্তনের কোনো নজির ছিল না।