
বাংলাদেশ ক্রিকেটে দক্ষ কোচ তৈরিতে কোনো ধরনের ছাড় দিতে রাজি নয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জেলা ও বিভাগীয় কোচ নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৭০ জনের মধ্যে মাত্র ৩৮ জন উত্তীর্ণ হওয়ায় প্রার্থীদের মৌলিক জ্ঞান নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিসিবির জেলা ও বিভাগীয় কোচ নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন ১৭০ জন প্রার্থী। তবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ৩৮ জন।
এ বিষয়ে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বলেন, ক্রিকেট কোচিংয়ের মৌলিক জ্ঞান যাদের নেই, তাদের এই পেশায় না আসাই ভালো।
তামিম বলেন, “আমি কোচদের কিছু পরীক্ষার খাতা দেখেছি। সেখানে একটা প্রশ্ন ছিল, ওয়াইড বলে কী কী আউট হওয়া যায়। সেখানে একটা উত্তর দেখলাম বোল্ড আর এলবিডাব্লিউ। এই ধরনের যারা উত্তর করেছে তাদের কোচিংয়ে না আসাই ভালো। আরেকজন অফ সাইডের পাঁচটি পজিশনের নামের জায়গায় লিখেছেন 'মিড উইকেট'। কোচিংয়ে মৌলিক জ্ঞানটুকু তো তাদের থাকতে হবে।”
কোচ নিয়োগে কোনো ধরনের তদবির বা সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি।
তিনি বলেন, “আমি একটা জিনিস পরিষ্কার করে দিতে চাই। আমি এটা ক্রিকেট বোর্ডেও বলেছি। কোচ নিয়োগের ক্ষেত্রে আমি বা আমার ক্রিকেট বোর্ডের কেউ কোনো ধরণের কোনো অনুরোধ গ্রহণ করবে না। সেই সুপারিশ যেকোনো পর্যায় থেকেই হোক না কেন। কোনো কোচ যদি পাশ না করে, সে যদি ভাইবা ভালো না দেয়, ব্যবহারিক ভালো না দেয় আমি কোনো সুপারিশ গ্রহণ করব না। কারণ এটা দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যতের বিষয়।”
কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যবহারিক পরীক্ষাকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার পক্ষে মত দেন তামিম ইকবাল। তার ভাষায়, “আমার মনে হয় কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যবহারিককে বেশি প্রাধান্য দেয়া উচিৎ। অবশ্যই