
ইরানজুড়ে চলমান বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে বিভিন্ন শহরে সরকারপন্থী বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা সরকারের পক্ষে স্লোগান দেন এবং দাঙ্গা সৃষ্টিকারীদের “সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড” হিসেবে নিন্দা জানান।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী তেহরানের পাশাপাশি বিরজান্দ, জাহেদান, জানজান, ইলাম, কেরমান, কোম, রাশত, হামেদান এবং শাহরেকোর্দ শহরগুলোতেও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দাবি করেছিলেন, দাঙ্গাবাজদের সহিংসতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে।
পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানি রিয়ালের মুল্যহ্রাসের প্রেক্ষাপটে গত ২৯ ডিসেম্বর তেহরানের ব্যবসায়ীরা প্রথম বিক্ষোভ শুরু করেন। এরপর ৩০ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে যোগ দেন, যা দ্রুত দেশের বড় শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
রুশ বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, দাঙ্গাবাজদের সহিংসতার ফলে ৮ জানুয়ারি রাতে বিক্ষোভে কমপক্ষে ১৩ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়, যার মধ্যে তিন বছরের এক শিশু রয়েছে। এছাড়া ৩৮ জন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাও প্রাণ হারিয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।