
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির আট বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মাদ্রাসাশিক্ষক মো. সাইদুর রহমান মুন্সিকে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সাইদুর রহমান দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হাতিভাঙ্গা ইউনিয়নের সাকোয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি জুরান আলী মিস্ত্রির ছেলে।
আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, ভুক্তভোগী শিশুটি দেওয়ানগঞ্জের একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। ওই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার সুবাদে সাইদুর রহমান বিভিন্ন সময় নানা অজুহাতে শিশুটিকে ডেকে নিতেন। এভাবে একাধিকবার তার ওপর জোরপূর্বক যৌন নির্যাতনের চেষ্টা চালান তিনি।
চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা মো. আব্দুল খালেক বাদী হয়ে ৩ মে দেওয়ানগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলাটি তদন্তের পর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। বিচার চলাকালে মোট পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দেন।