
শিক্ষকরা যখন সুবিধাবাদী বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎও মলিন হয়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ছাত্রদলের নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান।
শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিতে ববি-তে শিক্ষকদের কর্তৃক ঘোষিত শাটডাউনের পরিপ্রেক্ষিতে ববি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে তার নিজস্ব আইডিতে এক স্ট্যাটাসে এ মন্তব্য করেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসটিতে তিনি একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে লেখেন, ‘বিচারক যদি কাঠগড়ায় দাঁড়ায়, ন্যায় তখন অনাথ হয়ে যায়।’ শিক্ষকরা যখন সুবিধাবাদী বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎও মলিন হয়ে যায়।
তিনি লেখেন, আমি আহমদ ছফার ‘গাভী বিত্তান্ত’-এর মিয়া মোহাম্মদ জুনায়েদ (ভিসি)-এর প্রশাসনিক অদক্ষতার সমালোচনা যেমন দেখছি, তেমনি নীল-হলুদ দলের শিক্ষকদেরও স্বার্থে টান লাগলে এক হয়ে যাওয়ার প্রবণতাও খুঁজে পাচ্ছি। নিজের বেলায় ষোলো আনা, আমার বেলায় চোখে দেখো না। কাজী নজরুল ইসলামের ‘মৃত্যুক্ষুধা’-র অনাহারীর মতো আজও আমার ভাই-বোনেরা ক্লাসরুম সংকটে ভুগছে; আবাসিক হলের অভাবে জীর্ণ মেসে রাত কাটছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের ৩ দফা দাবিতে কতজন শিক্ষক এসেছিলেন? যোগ্যতা থাকলে পদোন্নতি নেবেন, অধ্যাপক হবেন, আন্দোলনের কর্মসূচি দেবেন—পাশে আমাদেরও পাবেন; কিন্তু ক্লাস-পরীক্ষা শাটডাউন করবেন—এটা কতটুকু সমীচীন? প্রশ্ন রইল।