
নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজধানীর যমুনা এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবনের সামনে এবং আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ছয় প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ মোতায়েন করা হয়েছে।
শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি এক বার্তায় বিজিবি এই তথ্য নিশ্চিত করে। সংস্থাটি জানায়, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার নিরাপত্তা জোরদারে কাকরাইল মসজিদ ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় ৬ প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করছে।
এর আগে সকালে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত কার্যকর করার দাবিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সরকারি চাকরিজীবীরা ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমবেত হন। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর তারা মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার উদ্দেশে রওনা দেন।
বেলা ১১টার দিকে মিছিলটি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড স্থাপন করে। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। তবে কিছু সময় পর আন্দোলনকারীরা আবারও সংগঠিত হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় এবং দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটে।
বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে যমুনামুখী সড়কে সংঘর্ষের ঘটনা চলতে থাকে। কখনও থেমে আবারও শুরু হয় পরিস্থিতি। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ একাধিকবার টিয়ার গ্যাস, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। উত্তপ্ত অবস্থার মধ্যে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। সেখানে তিনি ১৪৪ ধারা জারির তথ্য জানান।