
আদালত প্রাঙ্গণে এক সাংবাদিককে লাঠি দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির বিরুদ্ধে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) রিটের শুনানিতে অংশ নিতে আদালতে হাজির হন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি। এ সময় এক সাংবাদিক তাঁর ভিডিও ধারণ করতে গেলে মুন্সি হাতে থাকা স্টিলের লাঠি দিয়ে ওই সাংবাদিককে আঘাত করেন। এতে সাংবাদিকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
শতাধিক কোটি টাকা ঋণ নিয়ে দীর্ঘদিন তা পরিশোধ না করায় মঞ্জুরুল আহসান মুন্সিকে ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করে নির্বাচন কমিশন। এর ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।
এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মুন্সি আদালতে রিট আবেদন করেন। অভিযোগ রয়েছে, আদালতের রায় নিজের পক্ষে আনতে তিনি নিজের ছেলেকে দিয়ে আদালত প্রাঙ্গণে লোকজন জড়ো করেন, যা সেখানে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করে।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই ঘটনাটিকে ‘চোরের মায়ের বড় গলা’র সঙ্গে তুলনা করেন।
এর মধ্যেই মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির প্রার্থিতাকে অবৈধ ঘোষণার দাবিতে করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২১ জানুয়ারি) শুনানি শেষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ রিটটি বাতিল করেন। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই রায়ের ফলে তিনি আর নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা-৪ আসনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির বিপরীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।