
কিশোরগঞ্জের রাজনীতিতে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে বড় সিদ্ধান্ত এলো। জাতীয় পার্টির একাংশের আলোচিত নেতা মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল) আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। রূপালী ব্যাংকের ঋণখেলাপির বিষয়টি উল্লেখ করে রিটার্নিং অফিসার তার মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত দেন।
একই আসনে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুকের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত জানান রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা।
রোববার (৪ জানুয়ারি) কিশোরগঞ্জ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে কিশোরগঞ্জ-১, ২ ও ৩ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়। এর আগে শনিবার (৩ জানুয়ারি) কিশোরগঞ্জ-৪, ৫ ও ৬ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করেন রিটার্নিং অফিসার।
যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে তিনটি আসনের মোট ৩২ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। অপরদিকে ১৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বাতিল হওয়া প্রার্থীদের বেশির ভাগই স্বতন্ত্র। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তাদের মনোনয়ন বাতিলের প্রধান কারণ হিসেবে শতকরা একভাগ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল ধরা পড়েছে। পাশাপাশি কয়েকজন প্রার্থীর ক্ষেত্রে সম্পদের হিসাব ও হলফনামায় ত্রুটি, মামলার তথ্য গোপন এবং ঋণখেলাপির অভিযোগও উল্লেখ করা হয়।
ওইদিন যাচাই হওয়া ২৯ প্রার্থীর মধ্যে ১০ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়। সব মিলিয়ে দুই দিনে মোট ৬১ জন প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ৩৭ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।