
২০২৬ সালের মার্চে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮.৭১ শতাংশে। ফেব্রুয়ারিতে এই হার ছিল ৯.১৩ শতাংশ, আর গত বছরের মার্চে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৩৫ শতাংশ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৮.২৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯.৩০ শতাংশ। তবে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে ৯.০৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে যা ছিল ৯.০১ শতাংশ।
গ্রামীণ এলাকায় পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সাধারণ মূল্যস্ফীতি মার্চে ৮.৭২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ৯.২১ শতাংশ ছিল। গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮.০২ শতাংশে নেমেছে, আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৯.৩৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৬৮ শতাংশে নেমেছে। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮.৭৮ শতাংশে নেমেছে, কিন্তু খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৮.৬২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
মার্চে স্বল্প আয়ের দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকদের গড় মজুরি সামান্য বেড়ে ৮.০৯ শতাংশ হয়েছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৮.০৬ শতাংশ। তবু শ্রমজীবী মানুষের প্রকৃত আয় এখনও পিছিয়ে রয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ৫০ মাস ধরে প্রকৃত আয় হ্রাসের ধারা অব্যাহত আছে।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১১.৬৬ শতাংশে পৌঁছায়, যেখানে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ৭.৯৩ শতাংশ। ফলে ৩.৭৩ শতাংশ পয়েন্ট ব্যবধান তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে সেই ব্যবধান কমে ০.৬২ শতাংশ পয়েন্টে নেমে এসেছে।
সার্বিকভাবে, মার্চে সামান্য স্বস্তি থাকলেও খাদ্যবহির্ভূত খাত ও শ্রমিকদের প্রকৃত আয়ে চাপ এখনও অনুভূত হচ্ছে।