
বাড়তে থাকা জনসমর্থনে আতঙ্কিত হয়ে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি ও ভয়ভীতির পরিস্থিতি তৈরি করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর ভাটারা থানার পাশের বাঁশতলা সড়কে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ অভিযোগ করেন। সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি শেষে তারা বাঁশতলা থেকে রামপুরা ব্রিজের দিকে একটি নির্বাচনী পথসভা নিয়ে অগ্রসর হন।
সমাবেশে বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, তারা পরিবারতন্ত্র, বৈষম্য ও দুর্নীতিকে ‘না’ বলবেন এবং ইনসাফ, সুশাসন ও প্রকৃত গণতন্ত্রকে ‘হ্যাঁ’ বলবেন। নির্বাচনের সময় ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন এবং ভোটের দিনে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
এনসিপির আহ্বায়ক জানান, ১৬ বছরের ‘ফ্যাসিবাদী শাসনের’ পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের নির্বাচন একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত গড়ে তোলার সুযোগ। তার ভাষায়, গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ রক্ত দিয়েছে শুধু সরকার পরিবর্তনের জন্য নয়, বরং গণতন্ত্র, সাম্য ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন কেবল ক্ষমতার পালাবদলের নয়, বরং রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কার, গণতন্ত্র ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার নির্বাচন।
নাহিদ ইসলাম আরও দাবি করেন, ১০ দলীয় জোট নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদে যাবে, সরকার গঠন করবে এবং বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে। নিজের রাজনৈতিক কার্যক্রমের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে মিশে কাজ করেছি। এই এলাকার মানুষ আমাকে চেনে।’
ঢাকা-১১ আসনের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথাও তুলে ধরেন এনসিপির এই নেতা। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, তীব্র যানজট এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটসহ নানা সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি এসব সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।