
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজধানী ঢাকায় টানা দুই দিনে ১৪ জনসভায় যোগ দেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নির্বাচনি প্রচারণার শেষ পর্যায়ে ব্যাপক গণসংযোগের অংশ হিসেবে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ও সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের বিভিন্ন নির্বাচনি এলাকায় এসব জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রোববার ঢাকা মহানগর উত্তরের ছয়টি নির্বাচনি আসনে জনসভায় অংশ নেবেন তারেক রহমান। দুপুর ২টায় ঢাকা-১৭ আসনের ইসিবি চত্বর থেকে তার কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর তিনি পর্যায়ক্রমে পল্লবী, মিরপুর-১০, ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, শ্যামলী ক্লাব মাঠে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন এবং সন্ধ্যা ৬টায় বাড্ডার সাতারকুল সানভ্যালি মাঠে শেষ জনসভায় অংশ নেবেন।
পরদিন সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) তারেক রহমান তার নিজ নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাতটি নির্বাচনি আসনসহ মোট আটটি জনসভায় অংশ নেবেন। ওই দিন বেলা ১১টায় বনানী থেকে প্রচারণা শুরু করে কলাবাগান, পীর জঙ্গি মাজার রোড, বাসাবো, যাত্রাবাড়ী, জুরাইন ও ধূপখোলা মাঠ হয়ে সন্ধ্যা ৬টায় লালবাগ বালুর মাঠে গিয়ে নির্বাচনি সফর শেষ করবেন।
মাহদী আমিন বলেন, প্রতিটি জনসভাই সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে আয়োজন করা হয়েছে, যাতে সাধারণ ভোটারদের কাছে দলের বার্তা সহজে পৌঁছানো যায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এসব জনসভা সফল হবে এবং ভোটের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন অভিযোগ করেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল পরিকল্পিতভাবে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা ভোট চুরির প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি লক্ষ্মীপুরে এক নেতার কাছ থেকে ভোটের সিল উদ্ধারের ঘটনাকে এর প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এ সময় তিনি আরও দাবি করেন, ধর্মীয় অনুভূতিকে অপব্যবহার করে জাল ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিপুলসংখ্যক বোরকা ও নিকাব প্রস্তুত করা হয়েছে—এমন তথ্য বিভিন্ন স্থান থেকে পাওয়া যাচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।