
খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী ১৪ জুন কক্সবাজার সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।
আজকের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) বাঁধ এলাকার দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা সমস্যা এবং তা থেকে স্থায়ী উত্তরণের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আজ প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই বিশেষ সভা আহ্বান করেছিলেন। বৈঠকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকল্পের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, "ডিএনডি বাঁধ এলাকায় দীর্ঘদিনের একটা জলাবদ্ধতা ছিল এবং এখনও এই সমস্যা অনেকাংশে রয়ে গেছে। ২০১৬ সালে এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল, যা ২০২৪ সালে এসে শেষ হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এই প্রকল্পের সুফল এখন পর্যন্ত সাধারণ মানুষ খুব একটা পাচ্ছে না, যার কারণে এখনও জলাবদ্ধতা লেগেই আছে।"
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিএনডি বাঁধটি সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, "সবার সম্মিলিত আলোচনায় আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সমাপ্ত করা প্রজেক্টটি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।"
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় এবং সবার সম্মিলিত উদ্যোগে এবার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে। জলাবদ্ধতা দূর করার পাশাপাশি এলাকার বর্জ্য অপসারণ ও বর্জ্যমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টিও সিটি কর্পোরেশন সরাসরি তদারকি করবে। সব মিলিয়ে বৈঠকটি অত্যন্ত ইতিবাচক হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ডিএনডি এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার আরও উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেন, "এই এলাকায় আরও ৩০ কিলোমিটার নতুন ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত করার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে আনা হয়েছে।"
খুব শিগগিরই এই নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনগণকে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন পানি সম্পদ মন্ত্রী।