
নারী শিক্ষা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সেই কর্মসূচিকে আমরা আরও এগিয়ে নিয়ে যাবো এবং ইনশাআল্লাহ আমরা এই যে মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত ফ্রি আছে, এটাকে আমরা ডিগ্রি বা স্নাতক পর্যন্ত ইনশাআল্লাহ ফ্রি করবো। শুধু তাই নয়, যেসব মেয়েরা ভালো রেজাল্ট করবে ইনশাআল্লাহ তাদেরকে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে উপবৃত্তির ব্যবস্থা করবো।’
শনিবার বিকালে শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজার এলাকায় ‘খোদ খাল’ পুনর্খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
নারী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশনেত্রী খালেদা জিয়া-র শুরু করা কর্মসূচিকে আমরা আরও এগিয়ে নিয়ে যাবো। বর্তমানে মেয়েদের শিক্ষা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত ফ্রি আছে। ইনশাআল্লাহ এটিকে ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি করবো।”
তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। নারীদের শিক্ষিত ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী না করলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।
বেকারত্ব কমাতে কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে তারেক রহমান বলেন, তরুণদের টেকনিক্যাল ট্রেনিং দেওয়া হলে তারা দেশে কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবে, প্রয়োজনে বিদেশেও দক্ষ শ্রমিক হিসেবে কাজের সুযোগ পাবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ও বাড়বে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্যের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি শিক্ষামন্ত্রীকে দ্রুত একটি টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
দেশ গঠনে জনগণের অংশগ্রহণের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত যদি একসঙ্গে কাজ করে, তাহলে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব।”
বক্তব্যের শেষ দিকে ‘করব কাজ, সবার আগে’ স্লোগান তুলে জনগণকে দেশ গড়ার শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী ।