
বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-এর সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে এটিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনা করলে চুক্তিটির বাস্তব চিত্র আরও পরিষ্কার হবে।
মঙ্গলবার (৫ মে) বেইজিং-এর উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, “মার্কিন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হওয়া খুবই ভালো। যেকোনো চুক্তি নিয়ে মুক্ত আলোচনা হওয়া উচিত। আমরা একা এই চুক্তি করিনি—বিশ্বের অন্যান্য দেশও একই ধরনের চুক্তি করেছে। ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া-সহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তুলনা করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।”
তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশকে ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ প্রস্তাব দিয়েছিল। কেউ ২০ শতাংশে সমঝোতায় এসেছে, যেমন ভিয়েতনাম; আর বাংলাদেশ ১৯ শতাংশ পেয়েছে। এসব চুক্তি এখন উন্মুক্ত, তাই তুলনা করে দেখলে বোঝা যাবে কে কী সুবিধা পেয়েছে।”
চুক্তি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তুলনামূলক বিশ্লেষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ কী পেয়েছে, কী পায়নি—তা অন্য দেশের চুক্তির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা উচিত। এতে করে নীতিগত দিক ও আর্থিক প্রতিশ্রুতির বিষয়গুলো পরিষ্কার হবে।”
এদিকে, তিস্তা নদী-সংক্রান্ত চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পরও সেখানে নতুন সরকার গঠন না হওয়ায় এ বিষয়ে অগ্রগতি নিয়ে মন্তব্য করা এখনই সম্ভব নয়।
সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরে তা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।