
বাংলাদেশ ‘এক চীন নীতি’র প্রতি তার দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (২০ এপ্রিল) চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নৈশভোজে দেওয়া বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক ভ্রাতৃপ্রতিম, ঐতিহাসিক এবং সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। তিনি জানান, চীনের ‘ওয়ান চায়না পলিসি’র প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদী।
চীনের ভাইস মিনিস্টার জিন ঝিনের আমন্ত্রণে বেইজিংয়ের একটি হোটেলে আয়োজিত এই নৈশভোজে বিএনপির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।
সফরের সূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে আইডিসিপিসি ভবনে আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইজিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন মির্জা ফখরুল। এছাড়া বিকেলে গ্রেট হলে চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যান জেংয়ের সঙ্গে তাঁর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
সোমবার সকালে বেইজিং পৌঁছে তিনি সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত বিএনপির ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে যোগ দেন।
এই প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ শামসুজ্জামান দুদু ও এস এম আসাদুজ্জামান রিপন।
এছাড়া যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও হাবিব-উন-নবী খান সোহেলসহ দলের শীর্ষ নেতারা এই সফরে অংশ নিচ্ছেন।
প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন নজমুল হক নান্নু, বেবি নাজনীন, আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামসহ একাধিক নেতা। সংসদ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, কামরুজ্জামান রতন, মনোয়ার হোসেন ও সায়েদ আল নোমান।
এছাড়া নিলুফার চৌধুরী মনি, সানজিদা ইসলাম, কামাল আনোয়ার আহমেদ, কৃষিবিদ ইউনুস আলী, আমান উল্লাহ আমান ও মীর সোলাইমানও এই সফরে বেইজিংয়ে অবস্থান করছেন।