
চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪৬ জন, তাঁদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ভূমিকম্পে শত শত ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এনডিটিভি নিউজের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূগর্ভের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। এটি তিব্বতের নাখু শহরের প্রায় ১৯০ কিলোমিটার পূর্বে আঘাত হানে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশন (সিসিটিভি) স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানায়, ভূমিকম্পে অন্তত ৩৩৯টি বাড়িঘর ধসে পড়েছে অথবা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধারকাজ পরিচালনা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিন শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ভূমিকম্পের সময় বিভিন্ন স্থানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সুপারমার্কেটের তাক থেকে পণ্য পড়ে যাওয়া এবং রেস্তোরাঁ থেকে আতঙ্কিত লোকজনকে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে।
এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিব্বতের এই অঞ্চলে আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১২৬ জন নিহত হয়েছিলেন। একই বছরের আগস্টে নেপাল-তিব্বত সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ বন্যায় এক হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়।
এদিকে, মূল ভূমিকম্পের পর একই দিনে ভারতের অরুণাচল প্রদেশের পঙ্গিন থেকে উত্তর-উত্তরপশ্চিমে চীন সীমান্ত এলাকায় ৫ দশমিক ২ মাত্রার আরেকটি ভূকম্পন রেকর্ড করেছে ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস)।