
মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফনকে ঘিরে নজিরবিহীন জনসমাগমের প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। দেশটির প্রশাসনের ধারণা, খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে প্রায় দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন। এ উপলক্ষে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও সর্বজনীন জানাজার পরিকল্পনাও ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তেহরানের ডেপুটি মেয়র মোহাম্মদ আমিন তাভাকোলিজাদেহ জানান, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতাকে বিদায় জানাতে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। যদিও জানাজা ও দাফনের চূড়ান্ত তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি, তবে আগামী জুনের মাঝামাঝি সময়ে, পবিত্র মহররম মাসের শুরুর দিকে অনুষ্ঠানগুলো আয়োজন করা হতে পারে।
দীর্ঘ প্রায় ৩৭ বছর ইরানের নেতৃত্ব দেওয়া আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত নিজ বাসভবনে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন।
ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, খামেনির স্মরণে আয়োজিত কর্মসূচি শুধু তেহরানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। রাজধানীর পাশাপাশি দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় নগরী কোম ও মাশহাদেও শোক ও শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন করা হবে। পরে মাশহাদেই তাকে দাফন করা হবে।
ডেপুটি মেয়র আরও জানান, তেহরানে অনুষ্ঠিতব্য প্রধান বিদায় অনুষ্ঠান অন্তত ২৪ ঘণ্টা ধরে চলবে। বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতির সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে প্রশাসন ইতোমধ্যে বিশেষ প্রস্তুতি শুরু করেছে। দেশটির কর্মকর্তাদের প্রত্যাশা, খামেনির জানাজা ইরানের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ জনসমাগমে পরিণত হতে পারে।
সূত্র: গালফ নিউজ।