
ফেনীতে পলাতক এক ছাত্রলীগ নেতাকে ধরতে গিয়ে ডাকাত সন্দেহে গ্রামবাসীর হাতে আটক হয়েছেন যুবদলের তিন কর্মী। পরে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে গেলে উভয় পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটক তিনজন হলেন মোহাম্মদ একরাম, গোলাম মাওলা ও হৃদয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে থাকা ছাত্রলীগের নেতা কামরুল হাসান একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন, এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার রাতে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ১০ থেকে ১২ জন ওই বাড়ির দিকে যান। এ সময় এলাকায় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে।
ঘটনার একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন সন্দেহভাজনদের ঘিরে ফেলেন এবং তিনজনকে আটক করে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন। পরে তাদের পরিচয় নিয়ে আলোচনা শুরু হলে যুবদল-সংশ্লিষ্ট কয়েকজন সেখানে গিয়ে আটক ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই কামরুল হাসানের বাবা হামিদুল হকসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, ঘটনাটি ডাকাতির নয়। পলাতক এক ছাত্রলীগ নেতাকে ধরতে গিয়ে ওই তিন যুবক স্থানীয়দের হাতে আটক হন। পরে থানায় আনার পর উভয় পক্ষের সম্মতিতে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।