
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নতুন করে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে, যেখানে কাতারে হামলার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের ওপর।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের রাস লাফান শিল্পাঞ্চলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই এলাকা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
খবরে উল্লেখ করা হয়, ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে ওই স্থানে দুই দফা হামলা চালানো হয়। এতে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে গ্যাস আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান—এই তিনটি দেশ কাতার থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে এলএনজি আমদানি করে। ফলে সরবরাহ ব্যাহত হলে এসব দেশের জ্বালানি খাতে চাপ বাড়তে পারে এবং শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কা রয়েছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের দামও বাড়তির দিকে রয়েছে। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
সামগ্রিকভাবে, কাতারে এই হামলা শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ ক্ষয়ক্ষতির বিষয় নয়; বরং এটি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে, যার প্রভাব পড়বে এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর ওপরও।