
শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং বৃত্তি ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিল সরকার। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে তিনি মতিঝিল আইডিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রও ঘুরে দেখেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৃত্তি পরীক্ষা পুনরায় চালু হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হলো এমন উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করা এবং পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ানো।
তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পারে, সেটি নিশ্চিত করাই এই পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য। তার ভাষায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং সারাদেশ থেকে পাওয়া প্রতিবেদনও এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক।
তবে কিছু শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে উপস্থিতি বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উৎসাহিত করতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে চালু থাকা সুবিধাগুলোও বহাল থাকবে।
নীতিমালার সম্ভাব্য পরিবর্তন প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, বৃত্তির অর্থের পরিমাণ এবং সুবিধাভোগী শিক্ষার্থীর সংখ্যা নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা মানদণ্ড নির্ধারণের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে, যাতে অংশগ্রহণ আরও বাড়ে।
শিক্ষার হার বাড়ানোর লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার এটি ৯৬ শতাংশে উন্নীত করতে চায়। এ লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থাকেও আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।