
কোনো ধরনের কারণ দর্শানোর নোটিশ বা আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ তুলে পুনর্বহালের দাবিতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিটে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান সচিবালয়ে স্মারকলিপিটি গ্রহণ করা হয়।
এর আগে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে পেশাদার পর্ষদ গঠন, প্রকৃত মালিকদের কাছে মালিকানা হস্তান্তর এবং ‘ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা।
স্মারকলিপিতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকাররা অভিযোগ করেন, কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ কিংবা যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই বিগত সময়ে হাজার হাজার অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর আকস্মিক চাকরিচ্যুতির ফলে প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার মানবিক, সামাজিক ও আর্থিক সংকটে পড়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের এক দফা দাবি, অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত প্রায় পাঁচ হাজার কর্মকর্তাকে স্ব-স্ব পদে সমপরিমাণ সুযোগ-সুবিধাসহ অবিলম্বে পুনর্বহাল করতে হবে।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অভিজ্ঞ ব্যাংকারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় পেশাদার ব্যাংকারদের চাকরিচ্যুতি শ্রম আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থি বলেও দাবি করেন তারা।
ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, ব্যাংক প্রশাসকের হস্তক্ষেপে তাদের দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন হবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সংকট কাটার পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে মনে করেন তারা।