
গত ১১ জানুয়ারী ঢাকাওয়াচে ‘স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের বিরুদ্ধে আদালতের পদক্ষেপ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক।
প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করেন, প্রতিবেদনে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পুনঃনিয়োগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নিতে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের বোর্ডের প্রতি মহামান্য হাই কোর্টের যে নির্দেশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অসত্য ও বানোয়াট। প্রকৃতপক্ষে হাই কোর্ট থেকে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ (কোম্পানি ম্যাটার ১৫ অব ২০২৬) জারি করা হয়েছে যেখানে উক্ত নির্দেশ সংক্রান্ত কোনো বিষয়ের উল্লেখ নেই।
প্রতিবেদনে ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ৪২১তম বোর্ড মিটিং এ কোনো আলোচনা ছাড়াই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পুনঃনিয়োগের সিদ্ধান্তের যে কথা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ বাস্তবতা বিবর্জিত ও মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে ঐ দিনের সভার ১৫ নম্বর এজেন্ডায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে জনাব হাবিবুর রহমানকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পুনঃনিয়োগের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। নিয়ম অনুযায়ী বরাবরের মতই উক্ত বোর্ড মিটিং এরও সম্পূর্ণ ভিডিও ধারণ করা হয়েছে, যা ব্যাংকের কাছে সংরক্ষিত আছে।
প্রতিবেদনে ৩০ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে অনুষ্ঠিত ব্যাংকের ৪১৯তম বোর্ড সভা সম্পর্কিত যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে সভায় এ সংক্রান্ত কোনো এজেন্ডা ছিল না। ০৬ জন পরিচালক কর্তৃক স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো বোর্ডের এজেন্ডাটি বানোয়াট প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (ডিভিশন-২) কর্তৃক গত ০৬ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে চেয়ারম্যান বরাবর প্রেরিত চিঠির মাধ্যমে জনাব হাবিবুর রহমানের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
প্রতিবেদনে ইউনিয়ন ব্যাংকে দায়িত্ব পালনকালে জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান এস আলম গ্রুপের অনুকূলে অনিয়মিত ঋণ অনুমোদনে জড়িত ছিলেন বলে যে ইঙ্গিত করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অসত্য। উক্ত সময়ে তিনি অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিনিয়োগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যেখানে ঋণ অনুমোদনের কোনো এখতিয়ার তার ছিল না।
এছাড়া সংবাদে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের একটি মামলায় তার নাম জড়িত থাকার যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা বিভ্রান্তিকর। মামলার এফআইআর-এ তার নাম ছিল না এবং মামলাটি বর্তমানে হাই কোর্টের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে।