
ভোলার লালমোহনে আশ্রিত ব্যাক্তি (ওরকাইত) নিজেদের জমিতে থাকতে দিয়ে এখন ওরকাইত নিজেই জমির মালিক দাবি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওরকাইত জমির মালিক মারা যাওয়ার পর ভুয়া স্টাম্প তৈরী করে এখন জমির মালিক দাবি করে পাকা ভবন নির্মাণ করছেন। পাশাপাশি জমির প্রকৃত মালিকদের বিরুদ্ধে ফেসবুক সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছেন।
জমির ওয়ারিশ সূত্রে বর্তমান মালিক মো. ইকবাল অভিযোগ করে বলেন, পশিচম চর উমেদ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড সৈনিক বাজারের পূর্ব পাশে জেএল নং ৩০, এসএ খতিয়ান ১৩৩, দাগ নং ৫১১৯, বিএস খতিয়ান ৬৯৩ ও দাগ নং ১০৫২৩ দাগের ১০ শতাংশ এবং ১০৫২৯ দাগে ৩ শতাংশ মোট ১৩ শতাংশ জমির মালিক আমার দাদার ওয়ারিশ সূত্রে আমরা।
আমার চাচা মো. সেলিম পাটোয়ারী ভোলা থেকে আসা অসহায় ইব্রাহিমকে তার পরিবার নিয়ে ওরকাইত হিসেবে আমাদের জমিতে তাকে থাকতে দেন। চাচা সেলিম পাটোয়ারী মারা যাওয়ার পর ওরকাইত ইব্রাহিম ভুয়া স্টাম্প তৈরী করে সকলের কাছে বলছেন চাচা নাকি তার কাছে পোনে ৬শতাংশ জমি বিক্রি করে গেছে। কিন্তু কোন দলিল দেখাতে পারেনি। এখন আমাদের জমিতে ইব্রাহিম জোর করে ভবন তৈরী করছে। আমরা বাধা দিলে সে উল্টো আমাদের নামে বিভিন্ন অপপ্রচার করছে। তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ও আদালতে আমরা মামলা করেছি। আমরা এলাকায় না থাকায় ওরকাইত হিসেবে থাকতে দেয়ার কারনে এবং ইব্রাহিমের এখন টাকা পয়সা হওয়ার কারনে এখন সে আমাদের জমির মালিকানা দাবি করছে। আমরা আমাদের জমি ফেরত চাই এবং সঠিক বিচার চাই।
এ ব্যাপারে মো. ইব্রাহিম বলেন, আমাদেরকে সেলিম পাটোয়ারী এই জমিতে থাকতে দিয়েছে। এবং আমি ২০১০ সালে সেলিম পাটোয়ারী থেকে এই জমির পোনে ৬ শতাংশ ক্রয় করে নিয়েছি। ক্রয়ের ষ্টাম্প রয়েছে। দলিল নেই। দলিল ছাড়া জমির মালিক হওয়া যায় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দলিল দিবে বলে দেয়নি এবং সেলিম পাটোয়ারী মারা গিয়েছে তাই দলিল নিতে পারিনি। তাছাড়া এই জমি সেলিম পাটোয়ারির নয় এটা হিন্দুদের সম্পত্তি।