
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনের নির্বাচনী মাঠে বড় ধাক্কা খেলেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সভাপতি ও জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দিন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়া উদ্দিন এ সিদ্ধান্ত জানান।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, হলফনামার সঙ্গে জমা দেওয়া দলীয় মনোনয়নপত্রে থাকা স্বাক্ষরের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন থেকে প্রেরিত দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের অমিল পাওয়া যায়। এ কারণেই আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
এদিকে সকালে বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে একদল লোক জড়ো হয়ে জাতীয় পার্টির এই নেতার বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
মনোনয়ন যাচাই চলাকালে আনিসুল ইসলাম মাহমুদের পক্ষে উপস্থিত এক আইনজীবী অভিযোগ করেন, তার প্রস্তাবক ও সমর্থনকারীকে সম্মেলনকক্ষে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
আরও দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
একই দিনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক উপ-কোষাধ্যক্ষ এস এম ফজলুল হক এবং সাবেক হুইপ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে সাকিলা ফারজানা—এই দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে।
নির্বাহী হাকিম হেদায়েত উল্যাহ জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোট ভোটারের ১ শতাংশের সমর্থনে যে স্বাক্ষর জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে, সেখানে গড়মিল পাওয়ায় তাদের দুজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
উল্লেখ্য, ফজলুল হক ও সাকিলা ফারজানা—দুজনই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে চট্টগ্রাম-৫ আসনে শেষ পর্যন্ত বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।