
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিষয়গুলোতে আরও যাচাই-বাছাই ও অংশীজনদের মতামত নিয়ে নতুন আইন প্রণয়নের কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
রোববার (১২ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ও চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।
আইনমন্ত্রী জানান, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়, বিচারক নিয়োগ এবং মানবাধিকার কমিশনসহ কয়েকটি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিয়ে নতুন করে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, আগামী ১৫ মের পর মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে আলোচনা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ সময় চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, প্রস্তাবিত বিলগুলো স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আনা হবে, যাতে সব পক্ষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিলগুলো পাস হলে পর্যাপ্ত আলোচনা সম্ভব হতো না বলেই সেগুলো নতুন করে সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
আইনমন্ত্রী আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে বর্তমান সংসদের প্রথম অধিবেশনে ৯১টি বিলের মাধ্যমে ১১০টি অধ্যাদেশ উপস্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯৭টি অপরিবর্তিত, ১৩টি সংশোধিত আকারে এবং ৭টি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ১৬টি অধ্যাদেশ সংসদে তোলা হয়নি।
অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, যেসব ইস্যুতে বিরোধী দলের সদস্যরা ওয়াকআউট করেছেন, সেগুলোর কিছু তথ্য সঠিক ছিল না।