
সাত কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ গঠনকে চূড়ান্ত সমাধান নয়, বরং অস্থায়ী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন শিক্ষামন্ত্রী। সংকট নিরসনে অংশীজনদের সঙ্গে দ্রুত আলোচনায় বসার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-এ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম শুধু তদারকির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; স্বপ্রণোদিত হয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। বৈশ্বিক শ্রমবাজারের চাহিদা মাথায় রেখে দক্ষ ও চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা কারিকুলাম চালুর ওপর জোর দেন তিনি। তাঁর মতে, কর্মসংস্থানমুখী মানবসম্পদ গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থায় বাস্তবমুখী পরিবর্তন প্রয়োজন।
বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিং প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মান ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী, যা উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, দেশে এখনো আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ও গড়ে ওঠেনি। অন্তত একটি উচ্চমানের পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া জরুরি বলে মত দেন তিনি।
ইউজিসিকে উচ্চশিক্ষার কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ খাতের সাফল্য-ব্যর্থতা অনেকাংশে ইউজিসির কার্যক্রমের ওপর নির্ভরশীল। উচ্চশিক্ষা খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম যথাযথভাবে তদারকি ও গতিশীল করতে ইউজিসিকে নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি ২০২৪ সালের পরবর্তী সময়ের অর্জন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা লিখিত আকারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজ। উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম এবং ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম।