
পুরান ঢাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুনকে আন্ডারওয়ার্ল্ডের দ্বন্দ্বের কারণে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার জন্য চুক্তি হয়েছিল মাত্র দুই লাখ টাকায়।
মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে জানান, হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন ইমন-মামুন গ্রুপের আরেক শীর্ষ সদস্য রনি। তবে ইমন এই হত্যার সঙ্গে জড়িত কি না তা নিয়ে তদন্ত চলছে।
ডিবি জানিয়েছে, মামুন হত্যা মামলায় অন্তত নয়জনের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয়েছে। হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল মিরপুরে রনির বাসায়, এবং ইতিমধ্যেই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে রনি বহুবার মামুনকে হত্যার চেষ্টা পরিকল্পনা করেছিলেন।
মামুনকে গত সোমবার (১০ নভেম্বর) সূত্রাপুরে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের রাস্তায় গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মহানগর ডিবি প্রধান বলেন, "মামুন পুরান ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন-মামুন গ্রুপের সদস্য ছিলেন এবং তালিকাভুক্ত একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী।" তিনি আরও জানান, ৫ আগস্টের পর জামিনপ্রাপ্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ক্রমাগত অপকর্মের বিষয়েও ডিবি তৎপর রয়েছে।