
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের সব কৃষকের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নির্ভুল ও স্বচ্ছভাবে প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রকৃত কৃষকের অধিকার নিশ্চিত করতে যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কৃষক কার্ড-সংক্রান্ত এক সভায় তিনি সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, ছবি ও কিউআর কোড-সংবলিত কৃষক কার্ডে কৃষকের পরিচয়ের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন, সরকারি সহায়তা এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে কৃষক কার্ড প্রস্তুতেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, কৃষকদের ব্যাংক হিসাব খোলার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে পর্যায়ক্রমে কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে।
সরকারের লক্ষ্য, কৃষি খাতে ভর্তুকি, সহজ শর্তে ঋণ, প্রণোদনা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধা দ্রুত ও সহজভাবে প্রকৃত কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এ উদ্দেশ্যেই কৃষক কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।
চলতি অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষক এ কার্ডের আওতায় আসবেন। আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রায় ২ কোটি কৃষককে এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের সভাপতি এস এম আমীর হামজা শাতিলসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।