
উত্তর আন্দামান সাগর ও এর আশপাশের এলাকায় একটি লঘুচাপ তৈরি হয়েছে। পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে এটি আরও শক্তিশালী হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আগামী তিন দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বৃষ্টিপাত, নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দুই দিন দেশের অভ্যন্তর ও তৎসংলগ্ন উজান এলাকায় মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারী বৃষ্টি হতে পারে। তৃতীয় দিন বৃষ্টির মাত্রা বেড়ে মাঝারি-ভারী থেকে ভারী পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।
এদিকে দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বেড়েছে। যমুনার পানি স্থিতিশীল থাকলেও আগামী পাঁচ দিনে তা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গঙ্গার পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে এবং আগামী পাঁচ দিন এই নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। পদ্মার পানিও কমেছে। আগামী এক দিন পানি আরও কমে পরে চার দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী তিন দিন এ প্রবণতা বজায় থাকতে পারে।
উত্তরাঞ্চলে ধরলা নদীর পানি বেড়েছে। তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। তিস্তার পানি আগামী এক দিন বাড়ার পর পরবর্তী দুই দিন কমতে পারে। অন্যদিকে ধরলা ও দুধকুমারের পানি আগামী তিন দিন বাড়তে পারে।
চট্টগ্রাম বিভাগের নদ-নদীর মধ্যে সেলোনিয়া, ফেনী, হালদা ও সাঙ্গুর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। মুহুরী নদীর পানি রয়েছে স্থিতিশীল। এ ছাড়া মাতামুহুরী ও গোমতী নদীর পানি কমেছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গোমতীর পানি আগামী এক দিন বাড়তে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। মুহুরী, সেলোনিয়া, ফেনী, সাঙ্গু ও মাতামুহুরীর পানি আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে হালদা নদীর পানি আগামী তিন দিন কমতে পারে।