
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের একটি বড় মিছিল ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জুমার নামাজের পর হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে মিছিল শুরু হলে শুরুতে পুলিশ বাধা দিলেও একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাধের হাট বাজার এলাকায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ইউনিয়ন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ব্যানারে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনে এবং বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের কথা বলা হয়।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, জুমার নামাজের পর বাজার এলাকায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের তিন হাজারের বেশি নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে মিছিল বের করেন। মিছিল শুরুর সময় পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে ক্রমেই লোকসংখ্যা বাড়তে থাকায় পুলিশ কৌশলগতভাবে পিছু হটে।
পরে মিছিলকারীরা বাজারের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে সমাবেশে মিলিত হন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু।
সমাবেশে তিনি বলেন, তারা রাজপথে নেমেছেন অন্যায়, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে। আন্দোলন চলমান থাকবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি। একই সঙ্গে দাবি করেন, শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আসা পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের বাধার কারণে শুরুতে কিছু মানুষ ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও পরে আবার সংগঠিত হয়ে মিছিল ও সমাবেশ সম্পন্ন করা হয়।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে পুলিশ মোতায়েন ছিল। তবে মিছিলে বিপুল মানুষের উপস্থিতির কারণে শুরুতে বাধা দিলেও পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় পুলিশ পিছু হটে।