
আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচারের জন্য এবার রেকর্ডসংখ্যক গণমাধ্যমকে অনুমোদন দিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রায় চার হাজার গণমাধ্যম নির্বাচন কাভারেজের সুযোগ পাবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকার অনুমোদিত সব গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট স্টাফদের জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে সাংবাদিক পরিচয়পত্র এবং যানবাহনের স্টিকার সরবরাহ করা হবে। এ জন্য গণমাধ্যমগুলোকে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুত করা তালিকা অনুযায়ী, টেলিভিশনভিত্তিক অনলাইন পোর্টালের সংখ্যা ১৮টি। দৈনিক পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ রয়েছে ১২৯টি, আঞ্চলিক অনলাইন মিডিয়া ৬১টি এবং স্বতন্ত্র অনলাইন নিউজ পোর্টাল ২৬৩টি।
মুদ্রিত সংবাদমাধ্যমের মধ্যে দৈনিক পত্রিকা রয়েছে ১ হাজার ৩৯৭টি। পাশাপাশি অর্ধসাপ্তাহিক ৩টি, সাপ্তাহিক ১ হাজার ২৩১টি, পাক্ষিক ২১৫টি, মাসিক ৪৫১টি, দ্বিমাসিক ৯টি, ত্রৈমাসিক ৩৭টি, চতুর্মাসিক ১টি, ষান্মাসিক ২টি এবং বার্ষিক ২টি পত্রিকা তালিকাভুক্ত রয়েছে। সব মিলিয়ে সংবাদপত্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩৪৭টি। এর মধ্যে ঢাকায় প্রকাশিত পত্রিকা ১ হাজার ৪২২টি এবং ঢাকার বাইরে প্রকাশিত ১ হাজার ৯৩৫টি।
অনলাইন ও মুদ্রিত—সব ধরনের গণমাধ্যম মিলিয়ে মোট ৩ হাজার ৮১৮টি প্রতিষ্ঠানকে ভোট সংক্রান্ত পাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা