
প্রায় এক মাস পর মাঠে ফিরেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন নেইমার জুনিয়র। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের জোড়া গোলে দুই গোলের ঘাটতি মুছে ফ্ল্যামেঙ্গোর বিপক্ষে ২-২ ব্যবধানে ড্র করেছে সান্তোস। তবে শেষ মুহূর্তের এই প্রত্যাবর্তনেও পূর্ণ তিন পয়েন্ট পাওয়া হয়নি স্বাগতিকদের।
শুক্রবার সান্তোসের ঘরের মাঠ ভিলা বেলমিরোতে ব্রাজিলিয়ান সিরি আ’র ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমার্ধে দানিলো ও লুকাস পাকেতার গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ফ্ল্যামেঙ্গো। ৪৩ মিনিটে দানিলো এবং প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে গোল করেন পাকেতা।
বিরতির পর ফিলিপ কৌতিনিয়োর পরিবর্তে মাঠে নামেন নেইমার। এরপর ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ব্রাজিলের সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক গোলদাতা। ৭৯ মিনিটে জর্জিনহো লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ফ্ল্যামেঙ্গো। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে শেষ দিকে সমতায় ফেরে সান্তোস।
৮২ ও ৮৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে হার থেকে বাঁচান নেইমার। ম্যাচে তাকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ফ্ল্যামেঙ্গোর মিডফিল্ডার ও তার সাবেক জাতীয় দল সতীর্থ লুকাস পাকেতা।
গত ২ সেপ্টেম্বর পালমেইরাসের বিপক্ষে ডান ঊরুর পেশিতে চোট পেয়ে মাঠের বাইরে চলে যান নেইমার। সেই চোটের কারণে সান্তোসের ছয়টি ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। প্রায় এক মাস পর ফিরে জোড়া গোল করায় দলের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে।
এই ড্রয়ে সান্তোসের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৪২, যা তাদের পয়েন্ট তালিকার অষ্টম স্থানে রেখেছে। অন্যদিকে ৬১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ফ্ল্যামেঙ্গো। তবে জয়ের কাছাকাছি থেকেও পয়েন্ট হারানোয় শিরোপার লড়াইয়ে চাপ বাড়ল তাদের। শীর্ষস্থান ধরে রাখতে এখন প্রতিদ্বন্দ্বী পালমেইরাসের সঙ্গে ব্যবধান বজায় রাখাই দলটির বড় চ্যালেঞ্জ।
গত মৌসুমেও চোটের সঙ্গে লড়াই করে সান্তোসকে অবনমন থেকে বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন নেইমার। এবারও চোট কাটিয়ে ফিরে তার এমন পারফরম্যান্স মৌসুমের বাকি অংশে সান্তোসের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা বাড়িয়েছে।