
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরিপ অনুযায়ী বিএনপি বেশ কয়েকটি আসনে এগিয়ে রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে জামায়াতে ইসলামী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সঙ্গে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, রাজশাহী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের বেশিরভাগ আসনে বিএনপি বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু আসনে ত্রিমুখী বা চতুর্মুখী লড়াই হতে পারে, যেখানে বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে ১৫টিতে বিএনপি জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগের আসনগুলোর মধ্যে ৩৫টি আসনে বিএনপির জয় সম্ভাবনা রয়েছে, তিনটিতে জামায়াতের জয় সম্ভাবনা, এবং বাকি আসনগুলোতে বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হতে পারে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের মূল উদ্দেশ্য ছিল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং নির্বাচনের নিরাপত্তা ছক প্রণয়ন। ফলাফল প্রকাশ না করলেও প্রতিবেদনের কপি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে বিএনপির সাপেক্ষিক শক্তি অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর তুলনায় বেশ ভালো।