
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকার গঠন করতে পারলে শিক্ষাক্ষেত্রে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অন্তত ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি জানিয়েছে, দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে মিল রেখে ভবিষ্যতে এই বরাদ্দ ধাপে ধাপে আরও বাড়ানো হবে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার প্রকাশ করা হয়। সেখানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন।
ইশতেহারে বলা হয়েছে, শিক্ষাক্ষেত্রে বরাদ্দকৃত অর্থ শুধু ভবন নির্মাণ বা অবকাঠামো উন্নয়নে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং শিক্ষার মান উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকদের দক্ষতা, প্রশিক্ষণ ও পাঠদানের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া হবে।
দলটি আরও জানিয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা উপকরণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা হবে।
ইশতেহারের ‘শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন’ অংশে বলা হয়েছে, শিক্ষাব্যবস্থাকে কর্মসংস্থানমুখী ও উৎপাদনশীল কাঠামোয় রূপান্তর করা হবে। শিক্ষানীতি বাস্তব জীবনঘনিষ্ঠ শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেবে এবং প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এছাড়া শিক্ষায় নৈতিকতা ও মৌলিক মূল্যবোধ অন্তর্ভুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা ও সংকট দূর করে নিম্ন ও মধ্যস্তরে প্রয়োজনভিত্তিক শিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষায় জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে শিক্ষাক্ষেত্রে জিডিপির ৬ শতাংশ বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।