
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নির্বাচন উপযোগী ইউনিয়নের তালিকা আবারও যাচাই করার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তালিকায় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোর নাম যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না, কোনো আইনি জটিলতা বা সীমানা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির তথ্য বাদ পড়েছে কি না এবং বর্তমানে নির্বাচনের উপযোগী কোনো ইউনিয়নের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।
যাচাইয়ের পর তালিকায় কোনো ধরনের সংশোধনের প্রয়োজন হলে তা আগামী ৮ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় শাখায় পাঠাতে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ইসি সচিবালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন দেশের সব জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রতিটি জেলার সব উপজেলার নির্বাচন উপযোগী ইউনিয়ন পরিষদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। চিঠির সঙ্গে তালিকাটিও সংযুক্ত করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের অধীন উপজেলাগুলোর নির্বাচন উপযোগী ইউনিয়নের নাম সংযুক্ত তালিকায় যথাযথভাবে রয়েছে কি না, তা আবারও পরীক্ষা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আইনি জটিলতা কিংবা সীমানা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির বিষয়ে কোনো তথ্য বাদ পড়েছে কি না এবং বর্তমানে নির্বাচন করার উপযোগী কোনো ইউনিয়নের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি কি না, সেটিও যাচাই করতে বলা হয়েছে।
চিঠিতে নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়েছে, সংযুক্ত তালিকার তথ্য যাচাইয়ের পর কোনো সংশোধন প্রয়োজন হলে তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়-৩ শাখায় পাঠাতে হবে। সংশোধনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের নাম, তারিখ, মামলা, সীমানাসংক্রান্ত জটিলতা, ভোটার তালিকা পুনর্বিন্যাসসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
অন্যদিকে, যাচাই শেষে সংযুক্ত তালিকার সব তথ্য সঠিক পাওয়া গেলে সে বিষয়টিও লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনকে নিশ্চিত করতে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।