
বাংলাদেশের আধুনিক ইতিহাসের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য উত্তরাধিকার হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরেই দেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির এক নতুন দিগন্তে পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বহুমাত্রিক রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) মিলনায়তনে এক বিশেষ আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এলজিআরডি মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।
স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা করেছিলেন।
স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনে সাবেক এই রাষ্ট্রপতির অনবদ্য অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। আমরা আধিপত্যবাদের বাইরে গিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াব, দেশের মানুষ এখন সেই বাংলাদেশ দেখতে চায়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে ঐকমত্যের ওপর জোর দিয়ে বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব পক্ষকে সমন্বয়ের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মিত্রদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। পাশাপাশি গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশ এবং জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছিলেন।
এর আগে, সভার আনুষ্ঠানিক সূচনার প্রাক্কালে আমন্ত্রিত অতিথিরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বর্ণাঢ্য জীবন, সুদীর্ঘ কর্মময় দিন ও রাজনৈতিক ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে সাজানো একটি বিশেষ সংবাদপত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। এই তথ্যসমৃদ্ধ প্রদর্শনীতে তাঁর রাজনৈতিক সংগ্রাম, দূরদর্শী রাষ্ট্র পরিচালনা এবং রাষ্ট্র গঠনে রাখা বিভিন্ন ঐতিহাসিক অবদানের সংবাদ প্রতিবেদন, দুর্লভ আলোকচিত্র ও নানা গুরুত্বপূর্ণ দলিল সর্বসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।