
দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে শীঘ্রই চালু হতে যাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্প। সরকারের নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে উপকারভোগী পরিবারগুলোকে সরাসরি নগদ অর্থসহায়তা দেওয়া হবে।
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে বিতরণকৃত অর্থ মূলত পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে পৌঁছানো হবে, যা নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যমান অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় এই কার্ডের আওতায় সহায়তার পরিমাণ অনেক বেশি হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া ও তথ্য সংগ্রহ
প্রকল্পে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এতে সহায়তা বিতরণে অনিয়ম ও মধ্যস্থতা কমানো সম্ভব হবে। প্রাথমিকভাবে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে। পরে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে পুরো দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।
আবেদন করতে যা যা লাগবে
যদিও আবেদন প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি, তবে প্রাথমিকভাবে প্রার্থীদের তিনটি ডকুমেন্ট সংগ্রহে রাখতে বলা হয়েছে:
আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি
একটি সচল মোবাইল নম্বর
আবেদন কোথায় করবেন
পাইলট প্রকল্পের পর ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া ঘরে বসে দ্রুত আবেদন করার জন্য সরকার একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও নিচ্ছে। প্রতি পরিবারের জন্য কেবল একটি কার্ড ইস্যু করা হবে, যার মাধ্যমে মাসিক নগদ অর্থ বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য প্রাপ্তির ব্যবস্থা থাকবে।