
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নেয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট, বোম্ব ডিস্পোজাল ও কেনাইনের মতো বিশেষায়িত ইউনিট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হতে যাচ্ছে নতুন সরকারের শপথ। ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হচ্ছেন ১ হাজারের বেশি দেশি-বিদেশি অতিথি। মেগা ইভেন্ট সামনে রেখে দক্ষিণ প্লাজায় চলছে কর্মযজ্ঞ।
শপথ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় এরইমধ্যে দক্ষিণ প্লাজাজুড়ে সুইপিং করেছে বোম্ব ডিস্পোসাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাদা পোশাকে অবস্থান করছেন গোয়েন্দারা। সংসদের প্রবেশপথ ও ভেতরে মিলিয়ে নেয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা। এছাড়াও স্ট্যান্ডবাই থাকবে বিশেষায়িত সব ইউনিট।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) বলছে, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের বাসা থেকে সংসদের দক্ষিণ প্লাজার উদ্দেশে রওনা দেয়ার সময় থেকেই দেয়া হবে নিরাপত্তা। প্রোটোকলের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে অর্ধশত গাড়ি।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আনা-নেয়া থেকে শুরু করে রুট কেন্দ্রিক এবং সংসদ ভবনের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।’
শপথ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় থাকবেন পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। কোনো শঙ্কা না থাকলেও নেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এ বিষয়ে নজরুল ইসলাম বলেন বলেন, সভা হয়েছে। পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ, র্যাব, বিজিবি নিয়োজিত থাকবে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো থ্রেট আশঙ্কা করছি না। এটা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারবো বলে আশা করছি।
মণিপুরী পাড়া ও আসাদ গেট সংলগ্ন সংসদ ভবনের প্রবেশপথ দিয়ে ঢুকতে হবে অনুষ্ঠানস্থলে। আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও লেকরোডে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই বন্ধ থাকবে যান চলাচল।