
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় অনুষ্ঠেয় এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল তিন লাখের বেশি প্রার্থীর। নতুন পরীক্ষার তারিখ আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে ঘোষণা করা হতে পারে।
পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ও যুগ্মসচিব ডি এম আতিকুর রহমান। তিনি জানান, পরীক্ষা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। শিগগিরই নতুন তারিখ জানানো হবে।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ১১তম গ্রেডের ২৪২টি পদের বিপরীতে এ নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল। এতে অংশ নিতে সারা দেশ থেকে তিন লাখের বেশি প্রার্থী প্রস্তুতি নেন। রাজধানীর প্রায় ১০০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা আয়োজনের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল।
তবে পরীক্ষার আগের রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ সামনে আসে। একটি পোস্টে দাবি করা হয়, অধিদপ্তরের একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা, যিনি নিয়োগ পরীক্ষা কমিটির দায়িত্বেও রয়েছেন, তাঁর এক আত্মীয়সহ একটি চক্র প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত।
ওই পোস্টে আরও অভিযোগ করা হয়, পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে জনপ্রতি গড়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকার চুক্তি করা হয়েছে। কথিত প্রশ্নপত্র ও উত্তর বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার্থীদের পড়ানো হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের পেছনে কারা জড়িত এবং কীভাবে প্রশ্ন ছড়িয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।