
ব্রিকস সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দুই পাশে দেখা গেছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে। রবিবার নয়াদিল্লিতে ১১ সদস্যের জোটের নেতারা সম্মেলনের ফাঁকে ‘ব্রিকস ফ্যামিলি ফটো’তে অংশ নেন।
এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা কমাতে যৌথভাবে আহ্বান জানায় ব্রিকসের সদস্য দেশগুলো। চীন, রাশিয়া, ইরান ও ভারতসহ জোটের দেশগুলোর মধ্যে থাকা আগের মতপার্থক্য কাটিয়ে এ বিষয়ে একটি অভিন্ন অবস্থানে পৌঁছান নেতারা।
ফ্যামিলি ফটোতে মাঝখানে ছিলেন মোদি। তার ডান ও বাম পাশে অবস্থান করেন পুতিন ও শি জিনপিং। সম্মেলনে শি জিনপিং বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অভিন্ন স্বার্থের পরিপন্থী।
মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ব্রিকস নেতারা সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে—এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার ওপরও জোর দেওয়া হয়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা ২০২৬’ সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে।
যৌথ বিবৃতিতে সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের নিন্দা জানানো হয়। পাশাপাশি ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলারও নিন্দা করেন নেতারা। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় কার্যকর ও কঠোর জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সংঘাত প্রতিরোধ এবং সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ব্রিকস। মাদক ও অস্ত্র পাচার, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং সংগঠিত অপরাধসহ আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে জোটের সদস্যরা।