
ভূমিধসের পর সৃষ্ট একটি হ্রদের প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে নতুন করে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিতে পারে—এমন আশঙ্কায় তিব্বতে উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে চীন। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
চীন-নেপাল সীমান্তের গিরিয়ং বন্দরের উজানে পানির উচ্চতা ক্রমাগত বাড়ছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বুধবারের ভয়াবহ ভূমিধসে কাদা ও পানির স্রোতে সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কয়েক ঘণ্টার টানা ভারী বৃষ্টির পর ভূমিধসের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে একটি হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, পানির চাপ আরও বাড়লে হ্রদটির প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যেতে পারে। এতে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ওই এলাকায় আবারও বড় ধরনের বন্যা দেখা দেওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে ওই এলাকায় থাকা উদ্ধারকর্মীদের আপাতত অভিযান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সীমান্তের তিব্বত অংশে ৫৫০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ২৬০ জন বিদেশি নাগরিক। নিখোঁজদের অনেকেই তিব্বতের পবিত্র কৈলাশ পর্বতের উদ্দেশে তীর্থযাত্রায় যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।
নতুন করে বন্যার আশঙ্কায় উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।