
ভারতজুড়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র শিক্ষার্থী আন্দোলনের মধ্যেই উচ্চশিক্ষা প্রশাসনে বড় পরিবর্তন এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশটির উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব ভিনীত জোশীকে সরিয়ে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ১৯৯৪ ব্যাচের কর্মকর্তা নরেশ পাল গ্যাংওয়ারকে। একই সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে নতুন আইন আনার উদ্যোগের কথাও জানিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।
সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ভিনীত জোশীকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে। একই আদেশে টি কে অনিল কুমারকে স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবের দাবি, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দায়িত্ব পালনে গাফিলতি ও উদাসীনতার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্রশাসনিক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
নতুন দায়িত্ব পাওয়া নরেশ পাল গ্যাংওয়ার এর আগে মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। এর আগে তিনি রাজস্থানের শিক্ষা সচিবসহ প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
অন্যদিকে, ভিনীত জোশী অতীতে জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা (এনটিএ)-এর প্রথম মহাপরিচালক এবং সিবিএসইর চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও বিরোধী দলগুলোর ধারাবাহিক আন্দোলনের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, শুক্রবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে এবং আগামী সপ্তাহে সংসদে এ-সংক্রান্ত নতুন একটি বিল উত্থাপনের চেষ্টা করা হবে।