.jpg)
দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অস্ত্র সরবরাহের পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে ওয়াশিংটন। ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন জানিয়েছেন, এটি চীনা সামরিক সরঞ্জামের একটি বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হবে।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন এ তথ্য জানান।
তারা বলছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর, আগামীকাল বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থান নেন। এই সময়ে চীন বাংলাদেশের উপর প্রভাব আরও বাড়ানোর চেষ্টা চালায়, যখন ভারতের প্রভাব কিছুটা কমে।
সম্প্রতি চীন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে একটি ড্রোন কারখানা নির্মাণের জন্য প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে, যা বিদেশি কূটনীতিকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা করছে, যা চীন ও পাকিস্তানের যৌথভাবে তৈরি বহুমুখী যুদ্ধবিমান।
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন, এবং চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ঝুঁকির বিষয়ে স্পষ্টভাবে জানাতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনও এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
তথ্যসূত্র: ডয়েচে ভেলে