
ইসরায়েল ২০২৪ সালের মে মাসে গাজা উপত্যকা ও মিসরের মধ্যবর্তী রাফাহ ক্রসিং দখলে নেওয়ার পর আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রথমবার আংশিকভাবে খুলেছে ক্রসিংটি। খবর জানিয়েছে সিএনএন।
আজ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যেতে পারবে এখানকার বাসিন্দারা। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সমঝোতার অংশ হিসেবে এটি অস্ত্রবিরতির প্রথম ধাপ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
গাজা পরিচালনার জন্য গঠিত ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটিক কমিটির প্রধান আলী শাথ জানিয়েছেন, “সোমবার থেকে উভয় দিক থেকেই ক্রসিংটি খোলা হবে।” অর্থাৎ আজ শুধুমাত্র ফিলিস্তিনের পক্ষ থেকে মানুষ ক্রসিং দিয়ে বের হতে পারবে, আগামীকাল থেকে আসা-যাওয়ার সুযোগ মিলবে। তবে প্রস্থান এবং প্রবেশের সংখ্যা সীমিত রাখা হয়েছে।
এক ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাতে সিএনএন জানায়, প্রতিদিন ১৫০ জন ফিলিস্তিনি গাজা ছাড়ার অনুমতি পাবেন, আর মাত্র ৫০ জনকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর থেকে হওয়া অস্ত্রবিরতির শর্ত ছিল ক্রসিংটি সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত রাখা। তবে ইসরায়েল জীবিত ও মৃত সব জিম্মিকে ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ক্রসিং খুলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। শেষ মৃত জিম্মি রান গিভিলি ইসরায়েলের কাছে ফেরত পাঠানোর পর রোববার ক্রসিংটি আংশিকভাবে উন্মুক্ত করা হলো।